শিশু ও কিশোরী হত্যা-ধর্ষণ ঘটনায় ন্যায়বিচার দাবি শফিকুর রহমানের

জাতীয় জামায়াতে-ইসলামী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ঢাকায় ৬ বছর বয়সী শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা, নরসিংদীতে ১৫ বছর বয়সী কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর খুন এবং হাজারীবাগে এক স্কুলছাত্রীকে হত্যা-এই ঘটনাগুলো গোটা জাতিকে স্তম্ভিত করেছে।

শুক্রবার বেলা ১১টা ৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান দাবি করেন, এসব ঘটনায় ‘নগ্ন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা’ এবং ক্ষেত্রবিশেষে প্রশাসনের চরম শৈথিল্য লক্ষ করা যাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অপরাধীর বিচার নিশ্চিত করার বদলে ধর্ষকের রক্ষক হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকাছাড়া করতে চাওয়ার মতো মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের দুঃসাহস ক্ষমতাসীন দলের নেতারা কীভাবে দেখাতে পারেন?

একটি শিশুহত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ঘটনার পর একে ‘দুর্ঘটনা’ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। কারা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে – তা জনগণের কাছে স্পষ্ট বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দলীয় পদবি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্যাতিতদের দমিয়ে রাখা এবং নিপীড়কদের রক্ষা করা কোনো সভ্য ও গণতান্ত্রিক দেশের সংস্কৃতি হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, ‘ইনসাফের প্রশ্নে কোনো আপস চলবে না।’ অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে স্বচ্ছ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা, চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

মারা যাওয়া শিশুদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের সকল মজলুমের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তারা শামিল থাকবেন।