
আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, আলহামদুলিল্লাহ। আমার নতুন এই অধ্যায়টা খুব উপভোগ করছি। কাজের প্রতি আমি অনেকটাই নিবেদিত এবং মনোযোগী। তাই আমার জন্য একজন সাপোর্টিভ ও বোঝাপড়াসম্পন্ন সঙ্গী থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বলা যায়। নিশ্চিতভাবেই এটা আমাদের জীবনের একটা বিশাল পদক্ষেপ। আমরা সত্যিই খুবই ভাগ্যবান যে আমাদের কাছের মানুষজন পরিবার ও বন্ধুরা—আমাদের এই নতুন যাত্রাকে তাদের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা দিয়ে উদযাপন করেছেন।
অনেকটা—মানে অনেকটাই। আগে এক রকম ছিলাম, একা একা কাজ করতাম। এখন আমার একজন সঙ্গী আছেন, যিনি আমার জীবনের পার্টনার এবং একই সঙ্গে কাজেরও। জীবনটা এখন আমার কাছে অনেক সহজ লাগছে। দুজন দুজনের প্রতি সাপোর্টিভ, একে অপরের পার্থক্যগুলোকে সম্মান করি এবং বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে, ভ্রমণ করতে এবং সুন্দর মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে ভালোবাসি।
কাজের প্রসঙ্গে আসি। গান-অভিনয়ের খবর কী?
গত বছর আমার বেশ কয়েকটি প্লে-ব্যাক হয়েছে—যেমন ‘তাণ্ডব’, ‘দাগী’ এবং ‘ইনসাফ’ সিনেমায়। সবগুলোই ঈদে মুক্তি পেয়েছে। যেহেতু আমি নিয়মিত প্লে-ব্যাক করি না, তারপরও গত বছর বেশ কয়েকটি কাজ হয়েছে। এরপর থেকে নিজের জন্য কিছু সলো কাজ করার পরিকল্পনা করেছি, যেটা এখনো চলমান। মিউজিকের বাইরে স্টেজ শো, বিভিন্ন এন্ডোর্সমেন্ট তো আছেই। এরপর একটা ছোট্ট বিরতি নিয়েছিলাম, কারণ আমার জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু হয়েছে। এখন আবার কাজে ফিরেছি।
একটি ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছিলেন। সেটির আপডেট কী?
শিহাব শাহীন ভাইয়ার পরিচালনায় একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছি আমি এবং প্রীতম হাসান। আমরা দুজনেই মূলত গানের মানুষ, কিন্তু এখানে একসঙ্গে অভিনয় করেছি। স্বাভাবিকভাবেই এই কাজটা নিয়ে আমরা অনেক বেশি এক্সাইটেড। বর্তমানে এর পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। আশা করছি শিগগিরই এটি সামনে আসবে।
সব শেষ জানতে চাই, নতুন অধ্যায়ের পর কাজ ও ব্যক্তিগত জীবন—দুটো কিভাবে ব্যালেন্স করছেন?
দুটো বিষয়ই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের ব্যালেন্সটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত জীবন যদি ভালো না যায় তাহলে সেটার প্রভাব কাজে পড়বে, আবার কাজ ভালো না হলে সেটারও প্রভাব ব্যক্তিগত জীবনে পড়বে। তাই ব্যালেন্স রাখার চেষ্টা করছি। আমার পরিবার খুব সাপোর্টিভ এবং আমার স্বামীও অনেক বেশি সাপোর্টিভ। যেহেতু দুজনই একে অপরের কাজ বুঝি, সে ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জীবনে আমাদের সামঞ্জস্যতাও খুব ভালো।


